শিশু হত্যা মামলার রহস্য উদ্ঘাটন, লামার এসআই সালাহ উদ্দিন জেলার শ্রেষ্ঠ
স্টাফ রিপোর্টার
নিউজ প্রকাশের তারিখ : Sep 3, 2026 ইং
বান্দরবানের লামা থানার এসআই মো. সালাহ উদ্দিন জুলাই ২০২৬ মাসের জন্য জেলার শ্রেষ্ঠ এসআই (নিঃ) নির্বাচিত হয়েছেন। বিশেষ কল্যাণ সভায় তাঁর হাতে সম্মাননা স্মারক ও পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়।
বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) বান্দরবান জেলা পুলিশের আয়োজনে বিশেষ কল্যাণ সভায় এ সম্মাননা দেওয়া হয়। অনুষ্ঠানে চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি আবদুল কুদ্দুছ চৌধুরী, পিপিএম মো. সালাহ উদ্দিনের হাতে পুরস্কার তুলে দেন। এ সময় বান্দরবান জেলার পুলিশ সুপারসহ জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, লামা থানার মামলা নাম্বার-৪, তারিখ ১১ জুলাই ২০২৬, নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০-এর ৯(২) ধারায় মামলাটি করা হয়। এর আগে ২০২৫ সালের ৮ জুলাই নয় বছর বয়সী এক শিশুকে নিজ বাড়ির ছাগল রাখার বাঁশের মাচানে গলায় ফাঁস দেওয়া অবস্থায় পাওয়া যায়। এ ঘটনায় প্রথমে অপমৃত্যুর মামলা হয়েছিল।
পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, পরবর্তী সময়ে ডিএনএ পরীক্ষার প্রতিবেদনে শিশুটিকে ধর্ষণের পর শ্বাসরোধ করে হত্যার আলামত পাওয়া যায়। এরপর মামলাটি হত্যা ও ধর্ষণের ঘটনায় রূপ নেয়। তদন্তে গোয়েন্দা তথ্য ও স্থানীয়ভাবে পাওয়া বিভিন্ন তথ্য পর্যালোচনা করে একজনকে সন্দেহভাজন হিসেবে শনাক্ত করা হয়।
পুলিশ জানায়, মামলার বিষয়টি জানতে পেরে সন্দেহভাজন ওই ব্যক্তি তাঁর ব্যবহৃত টমটম (অটোরিকশা) গ্যারেজে রেখে পরিবারের সদস্য ও আত্মীয়স্বজনের সঙ্গে যোগাযোগ বন্ধ করে আত্মগোপনে চলে যান। পরে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় তাঁর অবস্থান শনাক্ত করা হয়।
এরপর লামা থানার তদন্তকারী কর্মকর্তার নেতৃত্বে অভিযান চালিয়ে গত ৯ আগস্ট সন্ধ্যা ছয়টার দিকে লক্ষ্মীপুরের কমলনগর থানার চর সামছুদ্দিন এলাকার রফিকগঞ্জ বাজার থেকে মো. আবদুল কুদ্দুচ (৩৯) নামের ওই সন্দেহভাজন ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়।
পুলিশের দাবি, গ্রেপ্তারের মধ্য দিয়ে দীর্ঘদিন অনুদ্ঘাটিত থাকা মামলাটির রহস্য উদ্ঘাটনে গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হয়েছে।
আপনার মতামত লিখুন :