রামু-নাইক্ষ্যংছড়ি সড়কের গর্ত ভরাটে উদ্যোগ নিলেন নাইক্ষ্যংছড়ি- ইউএন এনামুল হাসান
স্টাফ রিপোর্টার
নিউজ প্রকাশের তারিখ : Sep 8, 2026 ইং
শামীম ইকবাল চৌধুরী ,
নাইক্ষ্যংছড়ি (বান্দরবান)থেকে::
দীর্ঘদিন ধরে বেহাল অবস্থায় থাকা রামু-নাইক্ষ্যংছড়ি সড়কটি এখন লাখো মানুষের দুর্ভোগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। সড়কের বিভিন্ন স্থানে সৃষ্টি হওয়া বড় বড় গর্তে প্রতিনিয়ত ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছেন যাত্রী ও দু, উপজেলার স্থানীয় বাসিন্দারা। বিশেষ করে বর্ষা মৌসুমে এসব গর্তে পানি জমে দুর্ভোগ আরও বেড়ে যায়।
এ অবস্থায় মানুষের দুর্ভোগ কিছুটা লাঘবে ব্যতিক্রমী উদ্যোগ নিয়েছেন বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. এনামুল হাসান।
ব্যক্তিগত উদ্যোগে তিনি সড়কের নাইক্ষ্যংছড়ি থানা মোড় থেকে আদর্শগ্রাম-জারুলিয়াছড়ি ব্রিজ পর্যন্ত প্রায় তিন কিলোমিটার অংশের বড় গর্তগুলো ভরাটের উদ্যোগ নিয়েছেন।
ইউএনও মো. এনামুল হাসান জানান, ইটের আদলা ও ইট দিয়ে সড়কের বড় গর্তগুলো ভরাট করার পর রোলার গাড়ি দিয়ে ফিনিশিং দেওয়ার চেষ্টা করা হবে। মূল সড়কের স্থায়ী সংস্কার না হওয়া পর্যন্ত মানুষের চলাচলের দুর্ভোগ কিছুটা হলেও কমানোই এ উদ্যোগের উদ্দেশ্য।
স্থানীয় সিএনজি চালক ও মালিক সমিতির নেতা নবী হোসেন, লাইনম্যান আলী আক্তার নেওয়াজ , যাত্রী কালুসহ স্থানীয় বাসিন্দারা ইউএনওর এ উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন। তারা বলেন, দীর্ঘদিন ধরে সড়কটির বেহাল দশার কারণে যাত্রীদের ভোগান্তির পাশাপাশি যানবাহন চলাচলেও নানা সমস্যা হচ্ছে। অনেক সময় গর্ত এড়িয়ে চলতে গিয়ে দুর্ঘটনার ঝুঁকিও তৈরি হয়। তাই ইউএনওর উদ্যোগে সাময়িক স্বস্তি মিললেও দ্রুত সড়কটির স্থায়ী সংস্কারের দাবি তাদের।
কচ্ছপিয়া বিএনপির সহ-সভাপতি ও গণমাধ্যম ব্যক্তিত্ব সাংবাদিক জয়নাল আবেদীন টুক্কুসহ স্থানীয়রা একইভাবে রামু উপজেলা অংশের সড়কের বড় গর্তগুলোও জরুরি ভিত্তিতে ভরাট করে চলাচলের উপযোগী করার জন্য রামু উপজেলা প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।
উল্লেখ্য, রামু-নাইক্ষ্যংছড়ি সড়কের প্রায় ১২ কিলোমিটার অংশ প্রশস্তকরণ ও উন্নয়নে ১৯৫ কোটি টাকা ব্যয়ে একটি প্রকল্পের প্রাথমিক ধাপের কাজ শুরু হয়েছে। তবে প্রকল্পের কাজ পুরোপুরি শেষ না হওয়া পর্যন্ত বর্তমান দুর্ভোগ কমাতে সড়কের ঝুঁকিপূর্ণ অংশগুলো দ্রুত সংস্কারের দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগীরা। মানুষের দুর্ভোগ লাঘবে ইউএনওর এমন উদ্যোগকে মানবিক ও প্রশংসনীয় উদ্যোগ হিসেবে দেখছেন স্থানীয়রা।
আপনার মতামত লিখুন :